Below is the complete story (কথা) as traditionally narrated during the upvas (fast) observed on Fridays. একটি নির্দিষ্ট কাহিনী প্রচলিত আছে—
ছয় পুত্রবধূ সায় দিল, কিন্তু সপ্তম পুত্রবধূ (ছোট বউ) বললে, “আমি যাব না। ওসব গরিবের ব্রত। ধনী ব্যক্তিরা শিব, দুর্গা পূজা করেন।” এই বলে সে গালে হাত দিয়ে হাসতে লাগল। বৃদ্ধা ব্রাহ্মণী কিছু না বলে মনেই দুঃখ পেলেন।
ছোট বউ তখন ভগ্নহৃদয়ে সাত সপ্তাহ ব্রত করলে। সপ্তম শুক্রবার ব্রত শেষ করে প্রসাদ গ্রহণ করতেই তার সব দুঃখ দূর হয়ে গেল। স্বামী সুস্থ হলেন, ধনসম্পত্তি ফিরে এল, ঘর ভরে গেল সুখে। santoshi mata vrat katha in bengali pdf
এক রাজ্যে এক বৃদ্ধা ব্রাহ্মণী বাস করতেন। তাঁর সাতটি পুত্র ও এক কন্যা। পুত্রদের বিবাহ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু কন্যার নাম ছিল সত্যভামা। তিনি বিবাহের উপযুক্ত বয়সা ছিলেন। ব্রাহ্মণী ভাবলেন, প্রথমে পুত্রবধূদের নিয়ে মা সন্তোষীর ব্রত করি, তারপর কন্যার বিয়ে দেব। সাত পুত্রবধূকে ডেকে বললেন, “আমি মা সন্তোষীর ব্রত করব। তোমরা সবাই এসো।”
কিছুদিন পর, একদিন ছোট বউ তার ঘরে ঢুকেই দেখলে, ঘর থেকে বড় বড় সাপ বেরিয়ে যাচ্ছে। ভয়ে তার মুখ শুকিয়ে গেল। কয়েকদিনের মধ্যে তার ধনসম্পত্তি, গহনা, সব নষ্ট হতে লাগল। স্বামীও অসুস্থ হয়ে পড়লেন। গৃহস্থালি চলছিল না। তারপর একদিন ব্রাহ্মণী এসে বললেন, “তুই মা সন্তোষীর ব্রত করিসনি, বরং উপহাস করেছিস। এখন সন্তোষী মাতার অশেষ কৃপা লাভের জন্য সাত শুক্রবার ব্রত কর।” Below is the complete story (কথা) as traditionally
If you still want a ready-made PDF, search Google using the phrase: "সন্তোষী মাতার ব্রতকথা pdf" or "Santoshi Mata Vrat Katha in Bengali PDF" — many Bengali religious sites (like Sristi or Bangla PDF ) offer free downloads.
I cannot directly provide a PDF file, but I can give you the in Bengali text. You can copy this into a document (e.g., Word or Google Docs) and save it as a PDF yourself. You can copy this into a document (e
ছোট বউ ব্রত করে নি, বরং উপহাস করেছিল।
ব্রতের দিন উপস্থিত। বৃদ্ধা কন্যা সত্যভামাকে ডেকে আনলেন। অন্য ছয় বউ এসে ব্রতে যোগ দিল। তারা মাটিতে আসন পেতে, চালের গুঁড়ো দিয়ে অলপনা এঁকে, চিনি ও ছোলার ডাল দিয়ে নৈবেদ্য নিবেদন করে ব্রত করলে। শেষে কাহিনি শুনে প্রণাম করে সকলে গেল।
এদিকে সত্যভামার বিবাহের জন্য ব্রাহ্মণী খুব চিন্তিত ছিলেন। তিনি মা সন্তোষীর কাছে কন্যার সৎপাত্র প্রার্থনা করলেন। একদিন এক যুবক ব্রাহ্মণ এসে সত্যভামাকে বিবাহ করতে চাইলেন। বিবাহ হয়ে গেলে যুবক সত্যভামাকে নিয়ে স্বর্গে চলে গেলেন। ব্রাহ্মণী বুঝলেন, সেই যুবক স্বয়ং দেবতা।